চলতি বছর পরিশোধিত দস্তা ও সিসা বাজারে উদ্বৃত্তের পূর্বাভাস

বৈশ্বিক পরিশোধিত দস্তা ও সিসা বাজারে চলতি বছর উদ্বৃত্ত দেখা দেবে।

বৈশ্বিক পরিশোধিত দস্তা ও সিসা বাজারে চলতি বছর উদ্বৃত্ত দেখা দেবে। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল লিড অ্যান্ড জিঙ্ক স্টাডি গ্রুপ (আইএলজেডএসজি)। খবর মাইনিং উইকলি।

আইএলজেডএসজির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বৈশ্বিক পরিশোধিত সিসার সরবরাহ চাহিদার তুলনায় ৮২ হাজার টন বেশি হবে। এ সময় পরিশোধিত দস্তার সরবরাহ চাহিদার তুলনায় বেশি হবে ৯৩ হাজার টন।

সংস্থাটি আরো জানায়, ২০২৫ সালে বৈশ্বিক পরিশোধিত সিসার চাহিদা ১ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে ১ কোটি ৩১ লাখ ৯০ হাজার টনে পৌঁছবে। এ সময় উৎপাদন ১ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়ে ১ কোটি ৩২ লাখ ৭০ হাজার টন হবে। উৎপাদন বৃদ্ধির পেছনে প্রধান ভূমিকা রাখবে চীন, ভারত, মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্র।

পরিশোধিত দস্তার ক্ষেত্রে চলতি বছরে বৈশ্বিক চাহিদা ১ শতাংশ বেড়ে ১ কোটি ৩৬ লাখ ৪০ হাজার টনে পৌঁছবে বলে পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। ২০২৫ সালে উৎপাদন ১ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ১ কোটি ৩৭ লাখ ৩০ হাজার টন হবে। মূলত কাঁচামালের প্রাপ্যতা বৃদ্ধি মোট উৎপাদন বৃদ্ধির পেছনে ভূমিকা রাখবে।

পরিকল্পিত অথবা অপ্রত্যাশিত কার্যক্রম বন্ধের কারণে গত তিন বছরে খনি থেকে দস্তা উত্তোলন কমে গিয়েছিল। আইএলজেডএসজি জানায়, চলতি বছর তা ৪ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ১ কোটি ২৪ লাখ ৩০ হাজার টনে পৌঁছবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে গত সপ্তাহের লেনদেনের শেষদিনে লন্ডন মেটাল এক্সচেঞ্জে (এলএমই) দস্তার দাম ছিল টনপ্রতি প্রায় ২ হাজার ৬৭০ ডলার। এ সময় প্রতি টন সিসার দাম ছিল প্রায় ১ হাজার ৯৫৫ ডলার।

বাজারে সিসার সরবরাহ বেশি থাকলেও এর দাম তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে। বরং জানুয়ারির শুরুর তুলনায় এখন দাম সামান্য বেড়েছে। অন্যদিকে দস্তার বাজার এখনো সরবরাহ বৃদ্ধির পরিবর্তনের মধ্যে রয়েছে। বিনিয়োগকারীরা এখন মাত্রই নেতিবাচক হতে শুরু করেছেন। কারণ বাজারে এ পরিবর্তনের লক্ষণগুলো এখন স্পষ্ট হচ্ছে। তবে তারা আরো কতটা নেতিবাচক হতে পারেন, তা এখনো বলা যাচ্ছে না।

আরও